জিতু ও রিতু সমবয়সী। জিতু বাড়িতে তৈরি খাবার খেতে প্রায়ই অনীহা প্রকাশ করে। সে দোকান থেকে বিভিন্ন 'খাবার যেমন-পাউরুটি, স্যান্ডউইচ, চিপস, চানাচুর ইত্যাদি কিনে খায়। অন্যদিকে রিতু ঘরে রান্না করা মাছ, মাংস, শাকসবজি ও ডাল স্বাচ্ছন্দ্যে খায়। জিতু ও রিতু স্কুলের বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করে। দেখা যায় জিতু খেলতে গিয়ে অল্পতেই দুর্বলতা অনুভব করে, এবং পড়ালেখায়ও মনোযোগ দিতে পারে না।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যের শক্তি পরিমাপের একক কিলোক্যালরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত বয়স, পরিশ্রমের প্রকৃতি ও লিঙ্গভেদে শক্তির চাহিদায় তারতম্য ঘটে।

কৈশোরকালীন সময়ে ছেলেমেয়েরা বেশি পরিশ্রম ও খেলাধুলা করে। তাই তাদের, খাদ্য শক্তির চাহিদা বেশি হয়। শারীরিক বৃদ্ধি ও শক্তির ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কৈশোরে শক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সঠিক পরিমাণে সুষম খাবার না খাওয়াই জিতুর দুর্বলতার কারণ। প্রতিটি মানুষের, দৈনিক আহারে ভাত, মাছ, মাংস, শাকসবজি, ফল, দুধ ইত্যাদি গ্রহণ করা উচিত। এতে যথাযথ পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। শরীর কর্মক্ষম ও রোগমুক্ত থাকে।
জিতু ও রিতু সমবয়সী। তাদের মধ্যে রিতু ঘরে রান্না করা খাবার খায়। সে নিয়মিত মাছ, মাংস, ডাল, শাকসবজি খায়। অপরদিকে জিতু বাড়িতে তৈরি খাবার খেতে অনীহা প্রকাশ করে। সে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার পছন্দ করে। কিন্তু এগুলো স্বাস্থ্যসম্মত ও সুষম নয়। ফলে তার দেহে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় না। এতে তার শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। তার শরীরের গঠন ঠিকমতো হয় না এবং কর্মশক্তি কমে যায়। ফলে সে অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে ও দুর্বলতা অনুভব করে। তাই বলা যায়, সুষম খাদ্য গ্রহণ না করাই জিতুর দুর্বলতার কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

জিতু ও রিতু দুজনের মধ্যে রিতুর খাদ্য তালিকাটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কারণ এতে আছে মাছ, মাংস, শাকসবজি, ডাল ইত্যাদি পুষ্টিকর খাদ্য; যাতে খাদ্যের ছয়টি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে।
অন্যদিকে জিতুর খাদ্য তালিকায় থাকে পাউরুটি, চানাচুর, স্যান্ডউইচ, চিপস ইত্যাদি। এ জাতীয় খাদ্যের বেশিরভাগই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয়, ফলে বিভিন্ন রোগ-জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এ ধরনের খাদ্যে পুষ্টি উপাদান উপস্থিত থাকে না। অন্যদিকে রিতুর খাদ্য তালিকা থেকে গ্রহণকৃত খাদ্য দেহে পুষ্টি চাহিদার যোগান দিতে পারে। ঘরে তৈরি বলে এগুলো জীবাণুমুক্ত। এ ধরনের খাবার গ্রহণের ফলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে তার দৈহিক ও মানসিক বিকাশ ভালো হয়। কিন্তু জিতু তা করে না। ফলে সে অপুষ্টিতে ভোগে। প্রায়ই সে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে পারে না।
তাই বলা যায়, জিতুর থেকে রিতুর খাদ্য তালিকাটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
72
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে খাবারে দেহের চাহিদা অনুযায়ী প্রত্যেকটা পুষ্টি উপাদান (শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি) পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে তাই সুষম খাদ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
92
উত্তরঃ

খাদ্য পিরামিড বলতে বোঝায় একটা নির্দেশিকা। যার দ্বারা কোন ধরনের খাদ্য কী পরিমাণে খাওয়া উচিত তা চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ কোন ধরনের খাবার কতটুকু পরিমাণে গ্রহণ করলে খাদ্য। সুষম হবে তার ধারণা পাওয়া যায় এই পিরামিড থেকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
156
উত্তরঃ

৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া সুমার দৈনিক খাদ্যাভ্যাস থেকে ধারণা পাওয়া যায় তার শারীরিক গঠন ভালো এবং সে সুস্থ। খাদ্যের কোনো একটি উপাদান বাদ পড়লে খাদ্য সুষম হয় না।
সুমা প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে ছয়টি পুষ্টি উপাদান যথাঃ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও পানি গ্রহণ করে। অর্থাৎ সে সুষম খাদ্য গ্রহণ করে। ফলে তার পুষ্টি চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ হচ্ছে। তাই তার শারীরিক গঠন হবে সুস্থ-সবল, কর্মঠ ও প্রাণবন্ত। সুমার কৈশোরকালীন শারীরিক বৃদ্ধির কারণে শক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তাই সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে তার বর্ধন ভালো হবে। এমনকি তার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
69
উত্তরঃ

কণার খাদ্যাভ্যাস তার সুস্থ দৈহিক বর্ধনে সহায়ক নয়। কারণ সে সুষম খাদ্য গ্রহণ করে না।
কণা একজন কিশোরী। এ বয়সী ছেলেমেয়েদের দ্রুত গতিতে শারীরিক বৃদ্ধি ঘটে। ফলে সব ধরনের পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এ সময় প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহণ করা দরকার। শুধু একটি বা দুটি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করলে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি থাকে। তাই ছয়টি উপাদানই পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করা দরকার। এ সময় আমিষের ঘাটতি হলে বর্ধন ব্যাহত হয়। আবার হাড়ের এবং বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম ও জিংক প্রয়োজন। এছাড়া রক্ত গঠনের জন্য লৌহ প্রয়োজন। কিন্তু কণার খাদ্যাভ্যাস থেকে দেখা যায় তার খাদ্য তালিকায় মাছ মাংসের পরিমাণ কম ও দুধ নেই। এসব কারণে তার খাদ্য সুষম হয় না এবং দেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের অভাব থাকে। তাই তার দেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হবে। সুতরাং, কণার খাদ্যাভ্যাস তার সুষ্ঠু বর্ধনের জন্য যথেষ্ট নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
83
উত্তরঃ

সাধারণত বয়স, পরিশ্রমের প্রকৃতি ও লিঙ্গভেদে শক্তির চাহিদায় তারতম্য ঘটে।

কৈশোরকালীন সময়ে ছেলেমেয়েরা বেশি পরিশ্রম ও খেলাধুলা করে। তাই তাদের, খাদ্য শক্তির চাহিদা বেশি হয়। শারীরিক বৃদ্ধি ও শক্তির ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কৈশোরে শক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
116
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews